বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ১২:৫১ পূর্বাহ্ন
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে আত্মত্যাগকারী শহীদ আসাদ এ দেশের গণতন্ত্রপ্রেমী, মুক্তিকামী মানুষের মাঝে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন। তার আত্মত্যাগ সবসময় আমাদের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে প্রেরণা জোগাবে। এ দেশের স্বাধীনতার সংগ্রামে যারা আত্মাহুতি দিয়েছেন তাদের অবদান আমরা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করি। আমি মনে করি, শহীদের আত্মত্যাগ কখনো বৃথা যাবে না।’ আজ ২০ জানুয়ারি শহীদ আসাদ দিবস। এ দিবস উপলক্ষে গতকাল দেয়া বাণীতে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘ছয় দফার পক্ষে প্রবল জনমতের জোয়ার দেখে আতঙ্কিত সামরিক জান্তা আইয়ুব খান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের বিরুদ্ধে দেশদ্রোহিতার মামলা দায়ের করে, যা আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা নামে সমধিক পরিচিত। কারাগারে আটক বঙ্গবন্ধুর মুক্তির দাবিতে গর্জে উঠে সারা বাংলার মানুষ। ২০ জানুয়ারি ঢাকা মেডিকেল কলেজের সামনের রাস্তায় ছাত্র-জনতার চলমান মিছিলে পুলিশ গুলি চালায়। এতে আসাদুজ্জামান শহীদ হন। শহীদ আসাদের এ আত্মত্যাগ চলমান আন্দোলনে নতুন মাত্রা যোগ করে। স্বাধিকারের দাবিতে সোচ্চার সব শ্রেণী-পেশার মানুষ জেল-জুলুম উপেক্ষা করে রাজপথে নেমে আসে। এরই ধারাবাহিকতায় পতন হয় স্বৈরশাসক আইয়ুব খানের।’
দিবসটি উপলক্ষে বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনও। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে একটি অবিস্মরণীয় দিন। ১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারি তৎকালীন পাকিস্তানি স্বৈরশাসক আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে দেশের ছাত্রসমাজের ১১ দফা দাবি আদায়ের মিছিলে পুলিশের গুলিতে শহীদ হন ছাত্রনেতা আসাদ। আজকের এদিনে আমি শহীদ আসাদকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি।’